শুধু নামটা লড থেকে বদলে বেন গারিয় হয়েছে, অ্যারাইভালস হলসহ এয়ারপোর্টের কিছুই বদলায়নি। বেন গারিয়র মতো যথেষ্ট সংখ্যক লাগেজ ট্রলি আর কোথাও দেখেনি ও, ফলে জিনিসপত্র নিয়ে আরোহীদের হিমশিম খেতে হয় না। এক ইসরায়েলি যুবক কান পর্যন্ত বিস্তৃত হাসি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে অ্যারাইভাল হলে, দুহাতে ধরা বুকের কাছে একটা স্লেট, তাতে সাদা চক দিয়ে লেখা, মি, স্যার স্টিভেন স্ট্রাইড। অদ্ভুত একটা ক্যাপ পরে আছে যোকরা ড্রাইভার–নেভী ব্লু, মাঝখানটা কালো চামড়ার, মিনারের মতো ক্রমশ সরু হয়ে আধ হাত উঠে গেছে খাড়া। ইউনিফর্মের এই একটাই অংশ পরেছে সে, গায়ের শার্টটা সাদা পপলিনের, পায়ে কালো স্যান্ডেল। বেশ ভালোই ইংরেজি বলতে পারে, মার্কিন ঘেঁষা উচ্চারণ। সপ্রতিভ আচরণ দেখে মনে হতে পারে পিটারকে যেন কত যুগ ধরে চেনে সে। আজ এই ছেলেটাকে ড্রাইভার হিসেবে দেখা যাচ্ছে, কালই হয়তো দেখা যাবে কন্ট্রোল সামনে নিয়ে বসে আছে একটা সেঞ্চুরিয়ান ট্যাংকের ভেতর। সালোম, সালোম, পিটারকে অভ্যর্থনা জানাল সে। এই একটাই লাগেজ আপনার? হ্যাঁ। আপনাকে আমার পছন্দ হয়ে গেল। সবিনয়ে পিটারকে সরে যেতে বলে ট্রলিটা নিজেই ঠেলত...